এই ধরনের বিভিন্ন ম্যাসেজ ফেসবুকের ওয়ালে এবং ইনবক্সে ঘুরছে। আর এগুলোর উপরে ও নিচে লেখা রয়েছে ‘বাংলাদেশ পুলিশ’ বা ‘ডিবি পুলিশ’। অর্থাৎ তাদের পক্ষ থেকে এসব বার্তা পাঠানো হয়েছে। তবে পুলিশের কর্মকর্তারা বলছেন, তারা এ ধরনের কোনও মেসেজ পাঠাননি। আর এমন ভয়ঙ্কর স্বাস্থ্যবার্তা ফেসবুকে দেখে আতঙ্কিত না হওয়ার কথা বলছেন চিকিৎসকরা।
বিএসএমএমইউ’র প্রক্টর অধ্যাপক ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘ফেসবুক মেসেজ বক্সে বা ফেসবুক ওয়ালে কোনও চিকিৎসকের ব্যক্তিগতভাবে কোনও জাতীয় ইস্যুতে ঢালাওভাবে বলার অধিকার নেই। কেউ যদি কোনও তথ্য প্রচার করতে থাকে এবং তা জনমতে আতঙ্ক ছড়ায় তাহলে তার বিরুদ্ধে আইসিটি আইনে মামলা পর্যন্ত হতে পারে। জাতীয় কোনও ইস্যুতে কথা বলার জন্য স্বাস্থ্য অধিদফতর রয়েছে, স্বাস্থ্য চিকিৎসা সেবা কেন্দ্র রয়েছে, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) রয়েছে। বিএসএমএমইউ নিজে বলতে পারে। স্বাস্থ্য বিষয়ক কোনও স্বাস্থ্যবার্তা দিতে চাইলে তা দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও ফোরাম থেকেই দিতে হয়।’
ডা. মো. হাবিবুর রহমান দুলাল বলেন, ‘সাধারণ মানুষের এই ধরনের ম্যাসেজ দেখে আতঙ্কিত বা ভীত হওয়া উচিত হবে না। কেউ যদি ফেসবুক ইনবক্সে বা ওয়ালে কাউকে স্বাস্থ্য বিষয়ক তথ্য দিয়ে ভয় দেখায় তাহলে ওই ব্যক্তি স্বাস্থ্য শিক্ষা ব্যুরো, স্বাস্থ্য অধিদফতরে গিয়ে সরাসরি এই সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করে নিজের ভয় দূর করতে পারেন। সেখান থেকে তিনি সবচেয়ে ভালো ইনফরমেশনগুলো পাবেন।’
ঢাকা মহানগর পুলিশের জনসংযোগ শাখার উপ-কমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, ‘এরকম কোনও মেসেজ আমরা দিইনি।’ এ ধরনের মেসেজ তার চোখে পড়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি এ পর্যন্ত এ ব্যাপারে অবগত নই।’