হল শাখা ছাত্রলীগ সূত্রে জানা যায়, হলের মধ্যে গণহত্যা দিবসে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোমবাতি প্রজ্বলনের পরে উভয় গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতারা ক্যান্টিনে খেতে যান। পরে হল শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আসিফ তালুকদারের অনুসারীরা খেতে বসলে সভাপতি সোহানুর রহমানের অনুসারীরা উচ্চস্বরে কথা বলতে থাকেন। এসময় আসিফের অনুসারী হল শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাজমুল হোসেন, সহ-সভাপতি কামাল উদ্দিন রানা, সাংগঠনিক সম্পাদক শাহিন আহমেদ, দফতর সম্পাদক সোহানুর রহমানসহ আরও কয়েকজন নেতা সভাপতি সোহানের অনুসারী শিপন, সজিব, নূর হোসেনদের আস্তে কথা বলতে বলেন। তারা আস্তে কথা না বললে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়।
এ ঘটনার পরে হলের গেমস রুমে সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা খেলতে গেলে সভাপতির অনুসারীরাও খেলতে যান। তখন তারা সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের নেতাকর্মীদের খেলা শেষ করতে বললে উভয়ের মধ্যে আবারও কথা কাটাকাটি হয় ৷
এই ঘটনার পরে উভয় গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে রড, লাঠি নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এসময় হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরে হলের দুইজন আবাসিক শিক্ষক, হল ছাত্রলীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ঘটনাস্থলে আসলেও নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করতে দেখা যায়। এক পর্যায়ে হল সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নির্দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
এ বিষয়ে সাধারণ সম্পাদক আসিফ তালুকদার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ক্যারাম খেলার সময় হলের প্রথম বর্ষের দুই শিক্ষার্থীর মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে । পরে খবর পেয়ে আমি আর সভাপতি ঘটনাস্থলে যাই এবং পরে বিষয়টি মিটমাট করে দিয়েছি ।’
এ বিষয়ে হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. দেলোওয়ার হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার পর ঘটনাস্থলে দুইজন আবাসিক শিক্ষককে পাঠানো হয়েছিল ৷ তারা গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।’