রাজধানীতে পানির রিজার্ভ ট্যাংকে বিস্ফোরণ, দগ্ধ ৫

 



বিস্ফোরণরাজধানীর পল্লবীর মুসলিমবাগ এলাকায় একটি ভবনের পানির রিজার্ভ ট্যাংক সমস্যা দেখতে গিয়ে বিস্ফোরণে শিশু ও নারীসহ পাঁচ জন দগ্ধ হয়েছেন। তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ মার্চ) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।



ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দগ্ধ হওয়া ব্যক্তিরা হলেন বাড়ির মালিক এজিবির সাবেক কর্মকর্তা ইয়াকুব আলী (৭০) ও তার স্ত্রী হাসিন আরা খানম (৬০), ভাড়াটিয়া ইয়াসমিন (২৭) ও তার মেয়ে রুহী (৩) এবং মাহবুব হাসান (৩২)। তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ইয়াকুবের শ্যালক মো. মারুফ হোসেন জানান, ছয়তলা ভবনের নিচতলার পানির রিজার্ভ ট্যাংক পরিষ্কার করার জন্য হাসানকে আনা হয়। রিজার্ভ ট্যাংকের জায়গাটা অন্ধকার ছিল। তাই হাসান সেখানে টর্চ লাইট দিয়ে দেখার চেষ্টা করছিলেন পানি আছে কিনা। এসময় বাকিরা সামনেই ছিলেন। ওই আলোতে স্পষ্ট না দেখতে পেয়ে মোমবাতি নিয়ে আসা হয়। সেটি দিয়াশলাই দিয়ে ধরানোর সময় বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এতে সেখানে থাকা সবাই দগ্ধ হন। পরে আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতাল পরে সেখানে থেকে দ্রুত ঢামেকে নিয়ে আসে।
হাসানের ভগ্নিপতি মো. নাজমুল হোসেন জানান,পেশায় প্রাভেটকার চালক হাসান ওই ভবনের ছয় তলায় থাকেন। বাড়ির মালিক তাকে ডেকে নিয়ে যান পানির ট্যাংকেতে পানি আছে কিনা দেখার জন্য। পানি উঠছে না কেন, সেই সমস্যার জন্য সেখানে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হন।
বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা.পার্থ শংকর পাল বলেন, ‘দগ্ধ পাঁচ জনরেই শ্বাসনালী পুড়ে গেছে। তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। এদের মধ্যে ইয়াকুবের ২৫ শতাংশ, হাসিনের ৯৫ শতাংশ, ইয়াসমিনের ৪১ শতাংশ, তার মেয়ে রুহীর ৯০ শতাংশ ও হাসানের ৮৫ শতাংশ পুড়ে গেছে।