হাফিজের বাড়ি নওগাঁর নান্দাইলপুর গ্রামে, তার বাবার নাম মো. বিল্লাল হোসেন। এর আগে বুধবার রাত মারা যান দগ্ধ শাহীন আকন্দ। তিনি সিরাজগঞ্জের শাহজাতপুরের মনিরুল ইসলাম আকন্দের ছেলে। আইসিইউতে এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন দীপ্ত সরকার।
২৪ মার্চ মধ্যরাতের ওই বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র তৌহিদুল ইসলাম নিহত হন। এছাড়া, তার তিন সহপাঠী হাফিজ, শাহীন আকন্দ ও দীপ্ত সরকার দগ্ধ হন। স্থানীয় একটি গার্মেন্টে ইন্টার্ন করতে এ মাসেই ৬ তলা ভবনের তৃতীয় তলার ওই ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছিলেন তারা। নিহত তৌহিদুল ইসলাম নিপু বগুড়ার শাজাহানপুর উপজেলার মাঝিরা ইউনিয়নের নুরুল ইসলামের ছেলে।
বিস্ফোরণের পর আহত ৩ জনকে পরদিন ভোরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালের বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। প্রাথমিকভাবে গ্যাস সিলিন্ডার থেকে ভয়াবহ বিস্ফোরণটি ঘটে বলে ধারণা করছে পুলিশ। বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. পার্থ শংকর পাল এর আগে জানিয়েছিলেন, হাফিজের ৫৪ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। শাহীন মিয়ার দগ্ধ হয়েছিল ৮৩ শতাংশ। দীপ্ত সরকারে ৫৮ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তাদের সবারই শ্বাসনালী পোড়া।
খুলনা প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ফাইনাল পরীক্ষা দিয়ে ইন্টার্ন করছিলেন তারা। গত ১০ মার্চ থেকে তারা ৪ জন ভালুকার স্কয়ার ফ্যাশন টেক্সটাইল লিমিটেডে ইন্টার্ন শুরু করেন। তাদের সহপাঠী বন্ধু তুষার মাহমুদ জানান, ওই চার জন ছিলেন তাদের ক্লাসের মেধাবী শিক্ষার্থী। এরমধ্যে ক্লাসে দীপ্ত দ্বিতীয়, তৌহিদ তৃতীয় ও শাহীন ছিলেন ৪র্থ স্থান অধিকারী।