এতে বলা হয়, এনডিসি টিমের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় অতিরিক্ত ডিআইজি (ডিঅ্যান্ডপিএস) এস এম আখতারুজ্জামান বাংলাদেশ পুলিশের মিশন, ভিশন, ইতিহাস, ঐতিহ্য, মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় গৃহীত পদক্ষেপ, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান, কৌশলগত পরিকল্পনা, সীমাবদ্ধতা এবং ভবিষ্যত পরিকল্পনা ইত্যাদি প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরেন।
পরে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রতিনিধিদলের সদস্যরা মানবপাচার, ভিভিআইপি নিরাপত্তা, অপরাধ দমন ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে চান। ডিআইজি ব্যারিস্টার মাহবুবুর রহমান, ডিআইজি ব্যারিস্টার হারুন অর রশিদ, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মীর রেজাউল আলম প্রমুখ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অতিরিক্ত আইজিপি মো. মহসিন হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্য রয়েছে। পুলিশ ও সশস্ত্র বাহিনীর মধ্যে বিরাজমান বন্ধুত্বপূর্ণ আন্তঃসম্পর্ক এ সফরের মাধ্যমে আরও সুদৃঢ় হবে।’
প্রতিনিধিদলের প্রধান বলেন, ‘বাংলাদেশ পুলিশে ব্যাপক ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে। যার ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলার ক্ষেত্রে প্রভূত উন্নয়ন ঘটছে।’ তিনি এনডিসি প্রশিক্ষণার্থীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও আন্তরিক আতিথেয়তা দেওয়ায় পুলিশ প্রশাসনকে ধন্যবাদ জানান।
এনডিসি কোর্সের ৭৬ জন প্রশিক্ষণার্থী ও ৫ জন ফ্যাকাল্টি মেম্বারসহ ৮১ জন এ প্রতিনিধিদলে ছিলেন। এর মধ্যে বাংলাদেশের ৫৩ জন এবং বিদেশি ২৩ জন। বিদেশিদের মধ্যে নাইজেরিয়ার পাঁচ জন; সৌদি আরবের দুজন; ওমান, ভারত ও শ্রীলংকার তিন জন করে; মিসর, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, নেপাল, নাইজার, পাকিস্তান ও তানজানিয়ার একজন করে সদস্য ছিলেন।
এর আগে প্রতিনিধিদলের প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল মুহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল ড. মোহাম্মদ জাবেদ পাটোয়ারীর সঙ্গে তার অফিস কক্ষে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা পরস্পর শুভেচ্ছা স্মারক বিনিময় করেন।