সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিস, এস এ পরিবহন ও কন্টিনেন্টাল কুরিয়ার সার্ভিসের তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সরকারি নীতিমালা লঙ্ঘন করে অবৈধ আর্থিক লেনদেন, ইয়াবাসহ মাদক পরিবহন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে অর্থ লেনদেনের অভিযোগে তাদের কাছ থেকে তথ্য চাওয়া হয়েছে।
যেসব তথ্য চাওয়া হয়েছে—
- কুরিয়ার সার্ভিসসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষের নাম।
- কুরিয়ার সার্ভিসে আর্থিক লেনদেনের যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি পত্র।
- টাকা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে পোস্টাল নীতিমালা।
- কোনও ব্যক্তি সর্বোচ্চ কি পরিমাণ অর্থ প্রেরণ করলে নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকে জানানোর নিয়ম রয়েছে কিনা।
- কোনও ব্যক্তি অর্থ লেনদেন করলে তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর বা অন্য কোনও শনাক্তকরণ পত্রের ফটোকপি গ্রহণ করা হয় কিনা।
- অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতি হাজারে (টাকা) কমিশনের পরিমাণ। কমিশন নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত কিনা।
- কোনও ব্যক্তি কর্তৃক আর্থিক লেনদেনের সর্বোচ্চ সীমা কত?
- কোনও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা যেমন- সিআইডি, পিবিআই, র্যাব ইত্যাদি সংস্থাসমূহ সন্দেহজনক লেনদেন সংক্রান্ত কোনও সহায়তা বা তথ্য চায় কিনা। চেয়ে থাকলে গত এক বছরে প্রদানকৃত তথ্যের বিবরণী।