আইজিপি বলেন, মুক্তিযুদ্ধে রাজারবাগে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে প্রথম রুখে দাঁড়িয়েছিল পুলিশ। এরপর দেশে অগ্নিসন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মাথা তুলে দাঁড়াতে চেয়েছিল। সেটাও পুলিশ কঠোর হাতে দমন করেছে। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সরকারের জিরো টলারেন্স নীতি রয়েছে। ঠিক সেভাবে এখন দেশ থেকে মাদক নির্মূল আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। পুলিশের সবাই একত্রে কাজ করে মাদক নির্মূল করাও সম্ভব।
একই অনুষ্ঠানে ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী অপতৎপরতা দূর করতে বাংলাদেশ পুলিশ সব সময় তৎপর থাকবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন বলেন, বর্তমান সরকার পুলিশের সক্ষমতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে। পুলিশের পেছনে যে খরচ সরকার করছে সেটা বিনিয়োগ। আমাদের পুলিশের দুটি অ্যাসোসিয়েশন রয়েছে: বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশন। এই দুটি সংগঠন একত্রে কাজ করতে পারলে পুলিশ আরও শক্তিশালী হবে।
পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের বিভিন্ন দাবি সম্পর্কে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমাদের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। তবে আপনাদের সব দাবি পূরণ হবে। আমরা চিন্তা করছি পুলিশ যেন সেনাবাহিনীর মতো সব সুযোগ সুবিধা পায়।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন মতিঝিল থানার অফিসার ইনচার্জ ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ওমর ফারুক। এ সময় তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ ও বাংলাদেশ পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মো. মাজহারুল ইসলাম, কার্যনির্বাহী কমিটির সব সদস্য এবং অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।