আন্দোলনকারীরা বলছেন, পুলিশরা ঢাবি শিক্ষার্থীদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ করলে ও রাবার বুলেট ছুঁড়লেও ঢাবি কর্তৃপক্ষ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। তাই তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অভিভাবক উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছেন।
এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার চেষ্টা করছে ছাত্রলীগ নেতারা। ছাত্রলীগের সভাপতি ও সেক্রেটারি মাইকিং করে শিক্ষার্থীদের হলে ফিরতে বলছেন।
রবিবার (৮ এপ্রিল) রাত পৌনে ৮টার দিকে শাহবাগে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের ওপর টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ ঘটনায় আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় আন্দোলনকারীরা টিএসসির দিকে পিছু হটতে থাকলে পুলিশ তাদের ওপর জলকামান নিক্ষেপ করতে থাকে। চাকরিপ্রার্থীরাও ইট-পাটকেল ছুঁড়তে থাকে। পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনকারী তানভির হাসান নামে এক শিক্ষার্থী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আমাদের ওপর পুলিশ লাগাতার টিয়ারশেল ও রাবার বুলেট ছুঁড়ছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। শুধু তাই নয়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে কোনও কথাও বলেনি। অথচ অভিভাবক হিসেবে আমাদের পাশে তাদেরই দাঁড়ানোর কথা ছিল।
পুলিশের টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ জন আন্দোলনকারী আহত হয়ে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন। এ ছাড়া, তিন পুলিশ সদস্য ও এটিএন বাংলার ক্যামেরাম্যান মনির আহত হয়েছেন।
আরও পড়ুন-
শাহবাগ মোড়ে কোটা সংস্কারের দাবিতে অবস্থান
কোটা সংস্কার আন্দোলন: গোলাপ না নিয়ে পিছু হটলো পুলিশ
কোটা সংস্কার আন্দোলন: পুলিশের লাঠিচার্জ-টিয়ারশেলে আহত ৩১
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের ওপর টিয়ার শেল ও লাঠিচার্জ ( ভিডিও)