স্বজন গাড়ির মালিকের জিম্মা আবেদন, বিআরটিএ-কে তদন্তের নির্দেশ

 

 

স্বজন ও বিআরটিসি গাড়ির চালকঢাকার কারওয়ান বাজারে দুই বাসের পাল্লায় তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীব হোসেনের হাত কাটা পড়ার ঘটনায় স্বজন গাড়ির মালিকের জিম্মা আবেদনের বিষয়ে বিআরটিএকে (বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (৯ এপ্রিল) স্বজন গাড়ির মালিক আসাদুজ্জামান রাজু গাড়িটি নিজ জিম্মার আবেদন করলে গাড়িটির মালিকানা যাচাই করে বিআরটিকে প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম গোলাম নবীর আদালত।

আদালতের সংশ্লিষ্ট থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা (জিআর) মাহমুদুর রহমান বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।

স্বজন গাড়ীর পক্ষে আইনজীবী হেলাল উদ্দিন পাটোয়ারী শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত বিআরটিকে প্রতিবেদন দাখিল করার আদেশ দেন।

এর আগে গত রবিবার (৮ এপ্রিল) দুদিনের রিমান্ড শেষে আসামিদের আদালতে হাজির করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আফতাব আলী। মামলার তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করলে আদালত শুনানি শেষে তাদের কারাগার পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

কারাগারে যাওয়া দুই বাস চালক হলো বিআরটিসি বাসের চালক ওয়াহিদ (৩৫) ও স্বজন বাসের চালক খোরশেদ (৫০)।

গত ৩ এপ্রিল বিআরটিসি’র একটি দোতলা বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন (২১)। তখন তার ডান হাতটি বাসের গেটের বাইরে বেরিয়ে ছিল। এই সময় স্বজন পরিবহনের বাসটি পেছন থেকে বিআরটিসির বাসটিকে পেরিয়ে যাওয়ার জন্য ওভারটেক করার চেষ্টা করে। দুই বাসের প্রবল চাপে রাজীবের হাতটি শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং দুই বাসের মাঝখানে ঝুলে থাকে।

রাজীব ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।