সিভিল এভিয়েশন সূত্রে জানা গেছে, সেফটি ওভারসাইড প্রগ্রেসের ভিত্তিতে প্রতিবছর আইকাও সদস্য দেশগুলোকে সার্টিফিকেট ও অ্যাওয়ার্ড দিয়ে থাকে আইকাও। এভিয়েশন খাতের নিরাপত্তায় দ্রুত উন্নতির বিবেচনায় এই বছর সিভিল এভিয়েশন ‘আইকাও কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট’ ও অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে। আইকাও থেকে ৬ এপ্রিল এই সংক্রান্ত একটি চিঠি পেয়েছে সিভিল এভিয়েশন।
‘কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট সার্টিফিকেট’স্বীকৃতি মূলত আইকাও সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তার ব্যবস্থার উন্নতির জন্য স্বীকৃতি। বাংলাদেশ ছাড়াও ফিনল্যান্ড, বুর্কিনা ফাসো, কোস্টারিকা, ইকুয়েটরিয়াল গিনিয়া, ইন্দোনেশিয়া, জর্ডান, কুয়েত, নেপাল, পানামা, পর্তুগাল, রোমানিয়া ও তানজানিয়া এই অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে।
সূত্র জানায়, আইকাও মানদণ্ড দক্ষতার সঙ্গে বাস্তবায়নের বিষয়ও গুরুত্ব দেয়। আইকাও-এর নজরদারিমূলক নিরীক্ষা কর্মসূচির মাধ্যমে যাচাই-বাচাইয়ের ওপর ভিত্তি করে এই স্বীকৃত দেওয়া হয়। আকাশ পথে নিরাপত্তা ঘাটতি দূর করার অগ্রগতি অর্জনে বিভিন্ন দেশের অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বাৎসরিক ভিত্তিতে একবার এই সার্টিফিকেট দেওয়া হয়।
এই প্রসঙ্গে সিভিল এভিয়েশনের পরিচালক (ফ্লাইট সেফটি অ্যান্ড রেগুলেশন্স) উইং কমান্ডার চৌধুরী এম জিয়াউল কবির বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘২০১৭ সালের সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স (ইফিকটিভ ইমপ্লিমেন্টেশন) এর দিক থেকে শতকরা ৭৫ দশমিক ৩৪ স্কোর অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এটি আইকাও এর নির্ধারিত মানদণ্ডের থেকেও বেশি। ’
চৌধুরী এম জিয়াউল কবির বলেন, ‘আমরা সব সময়ই এভিয়েশন খাতের নিরাপত্তা ও উন্নয়নে কাজ করছি। আগের বছরের তুলনায় সেফটি স্ট্যান্ডার্ড কমপ্লায়েন্স ৫০ শতাংশের বেশি উন্নয়ন করতে আমরা সক্ষম হয়েছি। নিরাপত্তা বিষয়ে আমাদের চলমান অগ্রগতির এটি একটি স্বীকৃতি। ’