শিক্ষকদের সিলেকশন গ্রেড-টাইম স্কেল বাতিল কেন অবৈধ নয়: হাইকোর্ট





সুপ্রিম কোর্টদেশের সরকারি স্কুলের সহকারী শিক্ষকদের সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বাতিল কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

একইসঙ্গে চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালকসহ পাঁচজনকে এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বুধবার (১১ এপ্রিল) বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন।
আদালতে রিটকারীর পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আমিমুল এহসান জুবায়ের। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেছুর রহমান।

পরে এ বিষয়ে আইনজীবী আমিমুল এহসান জুবায়ের সাংবাদিকদের বলেন, ‘সরকার ২০১২ সালে এক গেজেট জারি করে সহকারী শিক্ষকদের দ্বিতীয় শ্রেণির পদমর্যাদা দেয়। ফলে পদ অনুযায়ী তাদের দুটি টাইম স্কেল ও একটি সিলেকশন গ্রেড পাওয়ার কথা। কিন্তু ২০১৫ সালের পে-স্কেল আদেশ অনুযায়ী সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বিলুপ্ত করা হয়। এর ফলে সহকারী শিক্ষকদের পদমর্যাদা বৃদ্ধি পেলেও সময়ে-সময়ে তাদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির প্রক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়।’
তিনি বলেন, ‘তাই ২০১৫ সালের সিলেকশন গ্রেড ও টাইম স্কেল বিলোপের বিধান চ্যালেঞ্জ করে গত ১০ এপ্রিল হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটটি দায়ের করেন ভোলার ফজিলাতুন্নেসা সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ের মোহাম্মাদ আলী বেলালসহ দেশের বিভিন্ন বিদ্যালয়ের মোট ৩৮৮ জন সরকারি শিক্ষক। সেই রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন।