শুক্রবার (৪ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে কমিশনের পক্ষ থেকে এ নিন্দা ও ক্ষোভ জানানো হয়। পাশাপাশি শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনাও জানিয়েছে কমিশন।
বিবৃতিতে বলা হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছে যে, সম্প্রতি পার্বত্য চট্টগ্রামে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের মতো ঘটনা সংঘটিত হচ্ছে। কিন্তু এসব ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতারের কোনও খবর এখনও শোনা যায়নি। সংঘটিত এসব ঘটনা সম্পর্কে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিরব ভূমিকা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ রয়েছে। বর্তমান সরকার পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়নের মাধ্যমে পাহাড়ে স্থায়ী শান্তি ফিরিয়ে আনার অঙ্গীকার যেখানে পুনর্বার ব্যক্ত করছে, সেখানে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এমন নিরব ভূমিকা মোটেও কাম্য নয়।
বিবৃতিতে ভবিষ্যতে পার্বত্য চট্টগ্রামে যাতে আর কোনও হত্যাকাণ্ড ও অপহরণের মতো ঘটনা সংঘটিত না হয় সেজন্য স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারকে এ বিষয়ে আরও সোচ্চার থাকতে জোরালো আহ্বান জানানো হয়।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশনের কো-চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল, এলসা স্টামাতোপৌলৌ ও মির্না কানিংহাম কেইন। এছাড়াও বিবৃতিতে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক কমিশনের সদস্য হিসেবে ড. স্বপন আদনান, লারস এন্ডারস বেয়ার, টোনা ব্লাই, হার্স্ট হেনাম, ড. ইয়াসমিন হক, ড. জাফর ইকবাল, ব্যারিস্টার সারা হোসেন, খুশী কবির, মাইকেল সি ভন ওয়াল্ট প্রাগ, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বীণা ডি’কস্টা এবং উপদেষ্টা ইয়েনেকি এরেঞ্জ, টম এস্কিলসন, ড. মেঘনা গুহঠাকুরতার নাম উল্লেখ রয়েছে।