রবিবার ওই রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ ২০১৬ সালে ‘নৌকা’ প্রতীক নিয়ে ইউনিয়ন নির্বাচন করেন। এর আগে ২০১১ সালের নির্বাচনে তিনি ‘গরুর গাড়ি’ মার্কা নিয়ে নির্বাচন করে বিজয়ী হন।
রিট প্রসঙ্গে রবিবার (৬ মে) বিকালে এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনা হচ্ছে ছয়টি মৌজা নিয়ে। ২০১১ সালে আমি চেয়ারম্যান এই ছয়টি মৌজার ভোটেই। ২০১৬ সালেও আমি চেয়ারম্যান হই এই ছয়টি মৌজার ভোটেই। গেজেট শুধু গাজীপুরের। চৌকিদারের ট্যাক্স শিমুলিয়া ইউনিয়নের, ট্রেড লাইসেন্স এই ইউনিয়নের, বৃদ্ধভাতাসহ সরকারি যা যা আছে, সবই আমার শিমুলিয়া ইউনিয়নের।’
এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ জানান, শুধু এইবার নয়, তিনি এর আগেও দুবার গাজীপুর সিটিতে শিমুলিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধীতা করে রিট করেছিলেন। তার ভাষ্য, ‘আমাকে এর আগে খালি খারিজ করেছে, খারিজ করেছে। এবার আল্লাহ পাক আমার প্রতি সদয়, আমিই পাইছি।’
এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগের শ্রম ও জনশক্তি বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি বলেন, ‘এর বাইরে আমার কোনও দলীয় পদ নেই।’
জানা গেছে, শিমুলিয়ার ৬টি মৌজাকে কেন্দ্র করে গাজীপুর সিটি নির্বাচনে স্থগিতাদেশ এসেছে। এসব মৌজা হচ্ছে দক্ষিণ বড়বাড়ী, ডোমনা, শিবরামপুরের অংশ, পশ্চিম পানিশালার অংশ, পানিশালার অংশ ও ডোমনাগ।
এবিএম আজাহারুল ইসলাম সুরুজ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘নবীনগর থেকে চন্দ্রা হাইওয়ে রোডের পশ্চিম পাশ শিমুলিয়া ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত।’
উল্লেখ্য, তফসিল অনুযায়ী আগামী ১৫ মে গাজীপুর সিটি নির্বাচনের ভোট গ্রহণের তারিখ নির্ধারণ ছিল। নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রচারণার মধ্যেই স্থগিতাদেশ এলো।