ডিএসসিসি’র ভাণ্ডার কর্মকর্তা ও তার সহকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ

 



ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন ও তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী সাহাবুদ্দিন মাতুব্বরের বিরুদ্ধে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। ডিএসসিসির বিভিন্ন পর্যায়ের মালামাল কেনায় অনিয়ম ও দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা ও ঘুষ লেনদেনসহ নানা অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য এ নির্দেশ দেওয়া হয়।



সাখাওয়াত হোসেন ও সাহাবুদ্দিন মাতুব্বরের বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতি নিয়ে বাংলা ট্রিবিউনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে একাধিক সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগের জেরে ডিএসসিসি কর্তৃপক্ষ সাহাবুদ্দিন মাতুব্বরকে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীর (বিদ্যুৎ সার্কেল) ব্যক্তিগত সহকারী পদে বদলি করেছে।
গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের পর দুদকের মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) মোহাম্মদ জয়নুল বারী অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিবকে একটি চিঠি পাঠান।গত ৪ এপ্রিল পাঠানো ওই চিঠির বিষয় ছিল ‘ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, ঘুষ লেদেনসহ পণ্য কেনাকাটায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ’।
দুদকের এই চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৭ মে স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক (যুগ্মসচিব) এম ইদ্রিস দিদ্দিকীর সই করা অন্য আরেক চিঠিতে জানানো হয়, বিষয়টি তদন্তের জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে এই কর্মকর্তাকেই অনুরোধ করা হয়েছে। বিষয়টি আগামী ৫ জুন সকাল ১০টায় ডিএসিসির সচিবের কক্ষে সরেজমিন তদন্ত হবে। তদন্তের কাগজপত্রসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
চিঠির বিষয়ে জানতে চেয়ে ডিএসসিসির প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা সাখাওয়াৎ হোসেনকে ফোন করে পরিচয় দেওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন। এসএমএস পাঠিয়ে জানান, পরে কথা হবে। অন্যদিকে তার সাবেক ব্যক্তিগত সহকারী সাহাবুদ্দিন মাতুব্বর বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘এমন একটা বিষয় আমি শুনেছি। কিন্তু চিঠি এখনও আমি দেখিনি।’
জানতে চাইলে ডিএসসিসি সচিব মো. শাহাবুদ্দিন খান (উপ-সচিব) বাংলা ট্রিবিইনকে বলেন, ‘ভাণ্ডার কর্মকর্তাসহ অন্যদের বিষয়ে তদন্ত করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ৫ জুন তাদের উপস্থিত থাকার জন্য বলা হয়েছে।’