এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. বাচ্চু মিয়া। তিনি জানান, সাথীকে তার স্বামী পরিচয়ে মো. হাবিব নামে এক যুবক ঢামেক হাসপাতাল জরুরি বিভাগে নিয়ে আসে রাত সোয়া ৭টার দিকে। কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাচ্চু মিয়া জানান, সাথীর মৃত্যুর সংবাদ শুনে হাবিব কৌশলে হাসপাতাল ছেড়ে যায়। সে হাসপাতালের স্টাফদের জানিয়েছিল, জোয়ার সাহারা এলাকায় সাথীকে নিয়ে থাকতো। সেখানে সাথী ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দেয়।
বাচ্চু মিয়া বলেন, ‘ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।’
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সাথীর কোনও স্বজন হাসপাতালে আসেননি।