এসময় সমাবেশ থেকে চার দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হলো- সব বিচার-বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হবে, আলাদা ট্রাইব্যুনাল গঠন করে মাদকের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে, ইমরান এইচ সরকারকে তুলে নিয়ে যাওয়া এবং ছাত্র ইউনিয়নের নেতাকর্মীদের ওপর হামলার সঙ্গে জড়িত র্যাব সদস্যদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে, দেশের সব নাগরিকের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
সমাবেশে গণজাগরণ মঞ্চের অন্যতম সংগঠক লাকী আক্তার বলেন, ‘গণতান্ত্রিক প্রতিবাদ করতে এলে বিনা নোটিশে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। স্বাধীন দেশে এটা চলতে পারে না। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সরকার নিজেদের ফ্যাসিবাদী হিসেবে প্রমাণ করছে। আমাদের এই ফ্যাসিবাদী সরকারের অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে।’
সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের সাধারণ সম্পাদক শম্পা বসু বলেন, ‘মাদক অভিযানের নামে এখন পর্যন্ত ১৪৬ জন মানুষকে বিনা বিচারে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি হত্যাকাণ্ডের অডিও প্রকাশিত হয়েছে। এই একটি অডিওর মাধ্যমেই এই অভিযানের নারকীয় কাণ্ডের চিত্র দেখতে পেয়েছে দেশের জনগণ। তথাকথিক বন্দুকযুদ্ধের নামে এগুলো মানুষ হত্যা। মানুষ হত্যা করে সরকার দেশ শাসন করতে চাচ্ছে।’
ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জি এম জিলানী শুভ বলেন, ‘আমরা সবাই মাদক নির্মূলের পক্ষে। তবে সেটি এমন কোনও পন্থায় নয়, যে পন্থা দেশের গণতন্ত্র ও সুশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।’
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন- উদীচীর সহসাধারণ সম্পাদক সংগীতা ইমাম, ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক লিটন নন্দী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের একাংশের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স প্রমুখ। সমাবেশ শেষে এক বিক্ষোভ মিছিল বের করেন তারা। মিছিলটি শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে এসে শেষ হয়।