মানবতাবিরোধী অপরাধে দণ্ডপ্রাপ্ত সাঈদীর ডিভিশন চেয়ে করা রিট খারিজ

 

দেলাওয়ার হোসেইন সাঈদী

একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে আমৃত্যু কারাদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর চিকিৎসা ও ডিভিশন চেয়ে করা রিট আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বৃহস্পতিবার (২৮ জুন) বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে সাঈদীর আবেদনের ওপর শুনানি হয়। সাঈদীর পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমীন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম।
এর আগে গত ২৪ জুন হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ রিট আবেদনটি করা হয়। এরপর দুইদিন এ রিটের ওপর শুনানি হয়। শুনানি শেষে আজ বৃহস্পতিবার আদালত আদেশ দেন।
শুনানি শেষে ব্যারিস্টার তানভীর আহমেদ আল আমীন বলেন, ‘উনার (সাঈদী) চিকিৎসা দরকার এবং জেলকোড অনুসারে তিনি ডিভিশন-২ পান। তিনি উচ্চ রক্তচাপ, উচ্চমাত্রার ডায়বেটিস এবং হৃদরোগে ভুগছেন। তার হার্টে (হৃদযন্ত্রে) ছয়টি রিং পরানো আছে। কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল বলছেন (শুনানিতে), সংবিধানের ৪৭ (এ) (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে যুদ্ধাপরাধীদের রিট চলতে পারে না। সংবিধানে বার (বাধা) আছে। এ কারণে রিট নট মেইনটেনেবল।’

প্রসঙ্গত, এর আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৩ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। পরে ২০১৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগের পাঁচ সদস্যের বেঞ্চ সাজা কমিয়ে তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দেন।

এরপর আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও সাঈদী পৃথক আবেদন করেন। ২০১৭ সালের ১৫ মে রিভিউয়ের রায়ে সাঈদীর আমৃত্যু কারাদণ্ড বহাল রাখেন আপিল বিভাগ।