বাদ মাগরিব তাকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার শাহবাজপুর গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন এক বিবৃতিতে আনিস আহমেদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। নেতৃবৃন্দ শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৬৪ বছর। তিনি স্ত্রী, ১ ছেলে, ১ মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। আনিস আহমেদ বার্তা সংস্থা বাসস ও রয়টার্সসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।
আনিস আহমেদ জাতীয় প্রেসক্লাবের স্থায়ী সদস্য ও ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সদস্য ছিলেন।