অমিতের বাবা ফিরোজ আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, মিরপুর ১১ নম্বর সেকশনের সাংবাদিক কলোনিতে থাকতো অমিত। একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরি করতো। গত পরশুদিন বুধবার (৪ জুন) সন্ধ্যায় বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশ্যে বের হয়। এরপর থেকে তার আর কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। গতকাল বৃহস্পতিবার (৫ জুন) রাতে অপরিচিত এক নম্বর থেকে তাদের ফোন দিয়ে জানানো হয়, অমিতের লাশ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের মর্গে রয়েছে।
শুত্রবার ময়নাতদন্ত শেষে অমিতের স্বজনেরা লাশ নিয়ে যায়।
এর আগে বাড্ডা থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শহিদুল আলম দুটি লাশেরই সুরুতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেন। তিনি উল্লেখ করেন, অমিতের বুক, পেট ও পিঠে মোট ১৯টি রক্তাক্ত ছিদ্র রয়েছে। আর অন্যজনের শরীরে রয়েছে ১২টি ছিদ্র।