গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে লিপি (৩৬), সুফিয়া বেগম (৫৫), আওয়াল মাস্টার (৪৮), মিন্টু (৪১), হাসি (৩০) ও সোহেল (৩২)।
বশির আহমেদ জানান, একই গ্রামের বাসিন্দা হওয়ায় আসামিরা বিভিন্ন সময় শহিদুলের সবুজবাগের বাসায় আসা-যাওয়া করতো। একপর্যায়ে সুফিয়া বেগম শহিদুলের স্ত্রী বকুল আক্তার আঁখির কাছে ব্যবসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ধার চায়। ধার দিতে অস্বীকার করলে সুফিয়া বেগম ক্ষিপ্ত হয় এবং আঁখির ক্ষতি করবে বলে হুমকি দেয়।
তিনি জানান, গত ২ মে সকালে শহিদুল ইসলাম বাসাবোর বাসা থেকে বের হওয়ার পর সুফিয়ার লোকজন তাকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। পরে ভিকটিম শহিদুল ইসলামের মোবাইল থেকে তার স্ত্রী আঁখির মোবাইলে অপহরণকারীরা ফোন করে বলে, ‘তুই যদি আমাদের কথামতো পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা না দিস কিংবা আমাদের কথামতো খালি স্ট্যাম্পে সই না করিস, তাহলে তোর স্বামীকে খুন করে টুকরা টুকরা করে বস্তায় ভরে বুড়িগঙ্গা নদীতে ফেলে দেবো।’
এ ঘটনায় ভিকটিমের স্ত্রী বাদী হয়ে আদালতে একটি মামলা করেন। ওই মামলার তদন্তের সূত্র ধরে রবিবার মহাখালী এলাকা থেকে শহিদুলকে উদ্ধার করা হয়। একই সময় অপহরণকারীদেরও গ্রেফতার করা হয়।