খাবার ও পানি নিয়ে আসা অভিভাবকদের একজন নার্গিস আক্তার। ধানমন্ডিতে থাকেন তিনি। তার সন্তানও নিরাপদ সড়কের দাবিতে রাস্তায় আন্দোলন করছে। বাংলা ট্রিবিউনকে নার্গিস আক্তার বলেন, ‘শুধু আমার ছেলেই না, আরও অনেক মায়ের সন্তানেরা ন্যায্য দাবিতে রাস্তায় নেমেছে। আমি তাদের দাবির সঙ্গে একমত। আমি আশা করি, অন্য অভিভাবকরাও তাদের সন্তানের জন্য নিরাপদ সড়ক চান। এই ভ্যাপসা গরমে অসুস্থ হয়েও পড়তে পারে তারা। তাই নিজেই চলে আসলাম। তাদের পানির ব্যবস্থা অন্তত করা গেলো।’
শুধু অভিভাবকরাই নয়, সায়েন্স ল্যাবরেটরি এলাকার কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও নিজ উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মাঝে খাবার পানি বিতরণ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অফিস থেকে নির্দেশ দেওয়ায় তারা পানি নিয়ে এখানে এসেছেন।
নিহতরা হলো দিয়া খানম মীম ও আব্দুল করিম। এ সময় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়। পথচারীরা সঙ্গে সঙ্গে আহতদের নিকটস্থ কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে গুরুতর আহত কয়েকজনকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নিয়ে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চালকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিতকরণ ও নৌপরিবহনমন্ত্রীর অনৈতিক বক্তব্যের প্রতিবাদসহ ৯ দফা দাবি জানায় শিক্ষার্থীরা। গত পাঁচদিন ধরে শিক্ষার্থীরা রাজধানীর সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ করে। বুধবার (১ আগস্ট) বিকালে বাস মালিক ও শ্রমিকদের সঙ্গে বৈঠক করে শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে নেওয়ার কথা জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। একই দিন সন্ধ্যায় শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) রাজধানীসহ সারাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণার কথা জানানো হয়।