বৃহস্পতিবার (২ আগস্ট) বিকালে দেশের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘নিরাপদ রাস্তা, নির্লিপ্ত আইন’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। রাজধানীর শুক্রাবাদে বাংলা ট্রিবিউন স্টুডিও থেকে এ আয়োজন সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন নিউজ।
সড়ককে নিরাপদ করার দাবিতে গড়ে ওঠা চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বাংলা ট্রিবিউনের সম্পাদক জুলফিকার রাসেল বলেন, ‘এবার যেটা হয়েছে, একটা উদাহরণ তৈরি হয়েছে। একটা সিস্টেম যদি ডেভেলপ করা যায় তাহলে সুন্দর একটা শহর তৈরি হতে পারে। কীভাবে শৃঙ্খলার মধ্যে চলতে হয় ওরা দেখিয়ে দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যদি ভালোভাবে কাজ করে তবে শহরের চেহারা পাল্টে যাবে। আমি ইলিয়াস কাঞ্চনকে সাধুবাদ জানাই, তিনি ২৫ বছর ধরে নিরাপদ সড়কের জন্য কাজ করেছেন। আমরা মানসিকভাবে এ আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম, কিন্তু নিজেরা রাস্তায় নামিনি। আমরা যদি নিজেরা রাস্তায় নামতাম, এই আন্দোলন হয়তো অনেক আগেই সফল হতো। শুধু তাই না, এজন্য আমরা নিজেরাও দায়ী। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আমরা নিজেরাই আইন মানি না। আমরা নিজেরাই ফুটপাত দিয়ে গাড়ি চালাই। আবার যখন তাড়া থাকে তখন উল্টোপথে গাড়ি নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি।’
তিনি বলেন, যখন চালকরা অ্যাক্সিডেন্ট করে তখন তারা পালিয়ে যায়। তাদের রক্ষা করার মতো ফাঁকফোকর আইনে আছে। দুর্ঘটনার পর তারা সংকেত দেখিয়ে অন্য বাসে উঠে চলে যায়। তাদের এমন সংঘবদ্ধ নেটওয়ার্ক। মোটরযান আইনের বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে জুলফিকার রাসেল বলেন, ‘দুর্ঘটনা নাকি অবহেলা এটা বোঝার জন্য সিসি ক্যামেরা লাগবে। এজন্য রাস্তায় সিসি ক্যামেরা লাগাতে হবে। হাজার হাজার আইন করে লাভ নেই, যদি বাস্তবায়ন না হয়।’
মুন্নী সাহার সঞ্চালনায় বৈঠকিতে আরও অংশ নেন, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ হানিফ খোকন, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) -এর প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান ইলিয়াস কাঞ্চন, বিআরটিএ’র সচিব মোহাম্মদ শওকত আলী।