শুক্রবার (৩ আগস্ট) ও শনিবার (৪ আগস্ট) দিনব্যাপী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ এসব তথ্য নিশ্চিত করেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর প্রভাবে মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা কার্যক্রমে কী ধরনের ক্ষতি হয়েছে কর্মশালায় তা চিহ্নিত করা হবে, কিভাবে এ থেকে উত্তরণ ঘটানো যায় তা নিয়েও আলোচনা হবে।’
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের যুগ্মসচিব (মাধ্যমিক) সালমা জাহান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কর্মশালা থেকে আসা সুপারিশ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে সরকার।’
মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদদফতরের (মাউশি) পরিচালক (মাধ্যমিক) ড. আব্দুল মান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে ঢুকেই প্রথমে আশ্রয় নেয় কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফ উপজেলার বিভিন্ন স্কুলে। তাদের অবস্থানের কারণে শিক্ষা কার্যক্রম ব্যহত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। চেয়ার, টেবিলসহ পাঠদানের উপকরণ ক্ষতিগ্রস্ত হয় ও ক্লাসরুমে শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হয়। পরে রোহিঙ্গারা ক্যাম্পে চলে গেলেও এখনও পাঠদান বিঘ্নিত হচ্ছে। এ কারণে সমস্যা চিহ্নিত করা, প্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঠদানের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি ও পাঠদানের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে।’
মাধ্যমিক উচ্চশিক্ষা অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, কর্মশালায় ওই অঞ্চলের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষতি চিহ্নিত করতে স্থানীয়ভাবে কর্মশালা করা হচ্ছে। মাধ্যমিক পর্যায়ের প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে চাহিদাপত্র নেওয়া হবে। বিভিন্ন তথ্য পাওয়ার পর তা বিশ্লেষণ করা হবে কক্সবাজারের কর্মশালায়।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (বেসরকারি মাধ্যমিক) জাবেদ আহমেদ ও অতিরিক্ত সচিব (সরকারি মাধ্যমিক) ড. মো. মাহমুদ-উল হক, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক মাহাবুবুর রহমান, পরিচালক (মাধ্যমিক) ড. আব্দুল মান্নান, পরিচালক (প্রশিক্ষণ) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল মালেক কর্মশালায় অংশ নেবেন। অধিদফতরের উপপরিচালক ও সহকারী পরিচালকসহ অধিদফতরের মোট ১১ জন কর্মকর্তা অংশ নেবেন কর্মশালায়।