আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। অন্যদিকে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার সারা হোসেন।
এর আগে গত ৭ আগস্ট আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে রমনা থানায় তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসার নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে একটি বোর্ড গঠন করে বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) সকাল ১০টায় প্রতিবেদন দাখিলের জন্যও আদালত নির্দেশ দেন। এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এ বিষয়ে আদালতে শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার ড. কামাল হোসেন।
এর আগে ৭ আগস্ট সকালে শহিদুল আলমকে বিচারিক আদালতের দেওয়া ৭ দিনের রিমান্ড চ্যালেঞ্জ করে ও তার সুচিকিৎসার নির্দেশনা চেয়ে তার স্ত্রী রেহনুমা আহমেদ হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করেন। রিটে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সচিব, পুলিশের মহাপরিদর্শক, ডিআইজি (ডিবি) ও রমনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) বিবাদী করা হয়। সেই রিটের শুনানি নিয়ে শহিদুল আলমকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। পরে সেই আদেশ স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আবেদন জানালে এর ওপর আপিল বিভাগে শুনানি শুরু হয়।
প্রসঙ্গত, দৃক গ্যালারির প্রতিষ্ঠাতা শহিদুল আলম চলমান ছাত্র আন্দোলন নিয়ে সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে সাক্ষাৎকার দেন। ওই ঘটনায় রমনা থানার তথ্যপ্রযুক্তি আইনে দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখায় পুলিশ। গত ৬ আগস্ট ডিবি (উত্তর) পরিদর্শক মেহেদী হাসান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের (পরিদর্শক) আরমান আলী। শহিদুলের পক্ষে আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন ও জোতির্ময় বড়ুয়া রিমান্ড বাতিল চেয়ে জামিনের আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। পরে উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিচারক শহিদুল আলমকে সাত দিনের রিমান্ডে রাখার আদেশ দেন।
আরও পড়ুন-
শহিদুলকে হাসপাতালে চিকিৎসার আদেশ স্থগিত চেয়ে আবেদনের শুনানি বৃহস্পতিবার
শহিদুলকে হাসপাতালে ভর্তি করার মতো কিছু হয়নি: বিএসএমএমইউ’র পরিচালক
শহিদুল আলম হাসপাতাল থেকে ফের ডিবিতে