আরইবি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ঘুষ-দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। যার বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হবে তাদের চাকরিচ্যুত করা হবে।’ আরইবি’তে স্বামী-স্ত্রী দুজন চাকরি করলে একজনের অনৈতিক কাজে অন্যকেও চিঠি দিয়ে জানানো হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেকেই রয়েছেন যারা আরইবিতে বিভিন্ন জেলায় কাজ করছেন। কিন্তু পরিবার-পরিজন নিয়ে ঢাকায় থাকেন। এরা বৃহস্পতিবার ঢাকায় চলে আসেন। আবার রবিবার গিয়ে অফিস করেন। এতে গ্রাহকরা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এভাবে চলবে না।’
শনিবার (১১ আগস্ট) বাংলাদেশের পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ডিজিএম সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। আরইবি’র আওতাধীন ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির তিন শতাধিক ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজারসহ (ডিজিএম) আরইবি’র মাঠ পর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক ও নির্বাহী প্রকৌশলীরা সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে আরইবি’র সদস্য (অর্থ) জয়নাল আবেদীন, সদস্য (ডিএন্ডডি) মোস্তফা কামাল, সদস্য (পিএন্ডডি) আবদুস সালাম এবং সদস্য (সমিতি ব্যবস্থাপনা) মাহবুবুল বাশারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের প্রতিপাদ্য বিষয়, ‘হয়রানিমুক্ত বিদ্যুতের অঙ্গীকার’। এই অঙ্গীকার বাস্তবায়নের জন্য আরইবি চেয়ারম্যান ডিজিএমদের গ্রাহকদের হয়রানি না করার নির্দেশ দেন। চেয়ারম্যান বলেন, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) শতভাগ বাস্তবায়ন করায় আরইবি বিদ্যুৎ বিভাগের মধ্যে সেরা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতি লাভ করেছে। এ অর্জন আমাদের সকলকে ধরে রাখতে হবে। বিচ্ছিন্ন ঘটনার কারণে বিগত দিনের অর্জিত সফলতা প্রশ্নবিদ্ধ হতে দেওয়া যাবে না। সরকার আরইবিকে বিপুল পরিমাণ অর্থ দেওয়ায় মালামালের কোনও ঘাটতি নেই। যেসব জায়গায় লাইন নির্মাণ করা হয়েছে সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার জন্য ডিজিএমদের নির্দেশনা দেন তিনি।
বেশ কয়েকটি পবিস-এ সিস্টেম লস বৃদ্ধি পাওয়ায় তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সিস্টেম লস সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনতে হবে। তিনি আরও বলেন, সিস্টেম আপগ্রেডেশনের জন্য সবাইকে নিষ্ঠা ও সততার সঙ্গে একযোগে কাজ করতে হবে। শিল্প প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক পেন্ডিং আবেদনের বিপরীতে দ্রুত সংযোগ দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।