সোমবার (৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকার কারওয়ানবাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানিয়েছেন র্যাব-৩ উপ-অধিনায়ক মেজর মো. রাহাত হারুন খান।
তিনি বলেন, ‘গত ২ সেপ্টেম্বর গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের নরসিংদীর পাঁচদোনা এলাকায় একটি চেকপোস্ট স্থাপন করে বাস তল্লাশি শুরু করে র্যাব। বিকাল সাড়ে ৪টার দিকে এনা পরিবহনের একটি বাস তল্লাশি করা হয়। এ সময় বাসের যাত্রী জামাল হোসেন, তানভীর আহম্মেদ ও রাজু হোসেনের প্যান্টের বেল্টের নিচে বিশেষ কায়দায় লুকানো ৬০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। প্রত্যেক যাত্রীর কোমরে ২০টি করে স্বর্ণের বার ছিল। এরপর তাদের আটক করে র্যাব।’
তিনি আরও বলেন, ‘এরপর বিকাল সাড়ে ৫টায় একই রুটের গ্রিন লাইন পরিবহনের যাত্রী আবুল হাসান, রাজু আহম্মেদ ও আলাউদ্দিনকে তল্লাশি করে তাদের কাছ থেকেও ৬০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়। দুই বাসের ছয় যাত্রীর কাছ থেকে মোট ১২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে র্যাব।’
এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত দাবি করে তিনি আরও বলেন, ‘গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে আলাউদ্দিন ছাড়া প্রত্যেকের ভাই মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রাষ্ট্রে আছেন। এদের মধ্যে রাজু ও জামাল শিক্ষার্থী। তবে প্রত্যেকের বাড়ি আলাদা জেলায়। স্বর্ণ চোরাচালানের মাধ্যমে আবুল হাসান, রাজু আহম্মেদ ও আলাউদ্দিনের পরিচয় হয়। তারা স্বর্ণপাচার করে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে টাকা পায়।’
সংবাদ সম্মেলনে মেজর রাহাত হারুন খান বলেন, ‘স্বর্ণগুলো ঢাকা হয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দেশে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল তাদের।’ তবে স্বর্ণের মূল মালিকের বিষয়ে র্যাব কোনও তথ্য দিতে পারেনি। তদন্তের পর এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানা যাবে বলেও জানিয়েছেন এই র্যাব কর্মকর্তা।
এই সংক্রান্ত আরও খবর: যাত্রীবাহী বাস থেকে ১২০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার, আটক ৬