দুদক সূত্রে জানা গেছে, আসামি ফরিদা ইয়াসমিন এবং তার স্বামী বাপেক্সের জেনারেল ম্যানেজার একেএম আনোয়ারুল ইসলামের বিরুদ্ধে ৪০ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে দুদকে মিথ্যা তথ্য দেওয়াসহ এককোটি আট লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে চার্জশিট অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
মামলাটি তদন্ত করেছেন দুদকের উপপরিচালক হেলাল উদ্দিন শরীফ। তদন্ত চলাকালে আদালতের নির্দেশে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত এককোটি আট লাখ ৪৩ হাজার ৭৫২ টাকার মধ্যে ৭৭ লাখ ৭০ হাজার ৮২৭ টাকার স্থাবর সম্পদ জব্দ করা হয়েছে।