ঘটনার শিকার ওই কিশোরীর অভিযোগের ভিত্তিতে শুক্রবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিকালে কালাচাঁদপুর থানবাড়ি কবরস্থানের পাশে একটি বাসা থেকে অভিযুক্ত ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
গুলশান থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মোশাররফ বাংলা ট্রিবিউনকে জানান,আসামি দ্বীপ্লাস বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক। কালাচাদঁপুরের একটি ফ্ল্যাটে সাবলেট হিসেবে থাকেন তিনি। ওই ফ্ল্যাটের ভাড়াটেরা সবাই গারো সম্প্রদায়ের। আসামি দ্বীপ্লাস ও তার স্ত্রী দুজনই চাকরি করেন। ওই ফ্ল্যাটের অন্যরাও চাকরিজীবী।ভুক্তভোগী কিশোরী দ্বীপ্লাসের বাচ্চাদের দেখাশোনা করতো।
মোশাররফ আরও জানান, বৃহস্পতিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দুপুর তিনটার দিকে বাসা ফাঁকা পেয়ে দ্বীপ্লাস কিশোরীকে ধর্ষণ করে।
ওই কিশোরীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।