বিমান ক্যাজুয়াল শ্রমিকদের কর্মবিরতি আজ, শাহজালাল অচলের আশঙ্কা

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর




চাকরি স্থায়ীকরণের দাবিতে রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) কর্মবিরতিতে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সংস্থাটির ক্যাজুয়াল শ্রমিকরা। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান কার্যালয়ও ঘেরাও করবেন তারা। এয়ারলাইন্সটির গত পরিচালনা পর্ষদ সভায় চাকরি স্থায়ীত্বের ব্যাপারে কোনও নিশ্চয়তা না পাওয়ায় তারা এ আন্দোলনে যাচ্ছেন।

এদিকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের গ্রাউন্ড সার্ভিসের দায়িত্বে থাকায় ক্যাজুয়াল শ্রমিকরা কর্মবিরতি দিলে বিমানবন্দরে অচল অবস্থা সৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।



কর্মসূচি প্রসঙ্গে অস্থায়ী শ্রমিকদের নেতা মোহাম্মদ হানিফ বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচি পালন করবো। দাবি আদায়ের লক্ষ্যে বলাকা ভবন ঘেরাও করবো। ন্যায্য দাবি আদায়ের কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানাবো।’
জানা গেছে, ক্যাজুয়াল শ্রমিকদের বেশির ভাগ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন। দাবি আদায়ের জন্য অস্থায়ী (পে গ্রুপ ১) শ্রমিকরা বিমানবন্দরের কর্মবিরতি দিয়ে বলাকা ভবনে উপস্থিত থাকবেন। ঘেরাও কর্মসূচির পালনের জন্য ব্যানার ও ফেস্টুনও তৈরি করা হয়েছে। ক্যাজুয়াল শ্রমিকদের আান্দোলনে অংশ নিতে আহ্বানও জানানো হচ্ছে।
জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের সভায় বিমানের ৭০০ ক্যাজুয়াল পে গ্রুপ (৩১) ও (৩২) তৃতীয় শ্রেণির কর্মকর্তার চাকরি স্থায়ীকরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে ক্যাজুয়াল শ্রমিকদের (পে-গ্রুপ ১) ১ হাজার ৮০০ জনের চাকরি স্থায়ীকরণের কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি। এরপর ক্যাজুয়াল শ্রমিকার ২৪ সেপ্টেম্বর বিমান ক্যাজুয়াল শ্রমিকরা বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এ কে এম শাহজাহান কামাল এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।