মাদকবিরোধী অভিযান চলবে, তালিকায় যুক্ত হবে ‘খাট’

১১১১১আগামী সংসদ অধিবেশনে সংশোধিত মাদকদ্রব্য আইনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হলে মাদকবিরোধী অভিযান দ্রুততম সময়ে সম্পন্ন করার প্রতিবন্ধকতাগুলো দূর হবে বলে জানানো হয়েছে। বুধবার (০৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মাদকদ্রব্য অধিদফতরে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক (ডিজি) জামাল উদ্দিন আহমেদ।

ব্রিফিংয়ে বলা হয়, ‘গ্রিন টি’ হিসেবে আমদানি করা নতুন মাদক এনপিএস বা খাটকে মাদকের তালিকাভুক্ত করার জন্য ইতোমধ্যে আবেদন করা হয়েছে। তালিকাভুক্তির অনুমোদন পেলেই এ মাদকটি আইনগতভাবে নিষিদ্ধ করা হবে এবং মাদকবিরোধী অভিযান চলবে।

আরও বলা হয়, অবৈধ মাদকের বিরুদ্ধে বিশেষ অভিযানে ২০১৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ২ হাজার ৪৭৮টি অভিযান পরিচালনা করে ৬০৩ জন আসামির বিরুদ্ধে মামলা করা হয় ৫৫৯টি। উদ্ধার হয় ৫৯ হাজার ৫০৬ পিস ইয়াবা।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে বিশেষ টাস্কফোর্স অভিযানে ২০১৮-এর আগস্ট পর্যন্ত ৩০ হাজার ৮৯৭টি অভিযানে ৯ হাজার ৩৩৪ মাদক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ৮ হাজার ৪০৬টি মামলা হয়েছে। অভিযানের পাশাপাশি মাদকবিরোধী প্রচারণার অংশ হিসেবে দেশজুড়ে ২ হাজার ৩৯২টি সেমিনার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ২৭ হাজার ১৯১টি মাদকবিরোধী কমিটি করা হয়েছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আকস্মিক অভিযান পরিচালনার জন্য টাস্কফোর্স কাজ করছে। ইয়াবা অনুপ্রবেশ রোধে স্পেশাল টাস্কফোর্সের নিয়মিত অভিযান চলছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে দেশের সকল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কাজ করছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের নেতৃত্বে র‌্যাব-পুলিশ, বিজিবি, আনসার, কোস্টগার্ড এবং গোয়েন্দা সংস্থার সমন্বয়ে কোর কমিটিও কাজ করছে। অধিদফতরের কাজের সুবিধার্থে ও ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য ঢাকা বিভাগে দুইজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।’