এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরানো ও যানজট নিরসনে বাস রুট রেশনালাইজেশন বিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনে মেয়র সাঈদ খোকন বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রশ্নের জবাবে বলেছিলেন, ‘এটা (নাইট শিফট) খারাপ আইডিয়া না। সিউল শহরের বিভিন্ন করপোরেশন ও সরকারি, আধা-সরকারি প্রতিষ্ঠান নাইট শিফটে কাজ করে। রাত ৯টা থেকে তাদের শিফট শুরু হয়। সকালে আরেকটি শিফট শুরু হয়। তারা পুরো সময়টাকে ব্যবহার করছে। এ কারণে মানুষের মুভমেন্ট অনেকটা কমে গেছে। তার সুফল তারা ভোগ করছেন। যানজট হচ্ছে না।’
মেয়র আরও বলেন, ‘আমাদের ঢাকা শহরও এখন রাত একটা থেকে দেড়টা পর্যন্ত অনেক অ্যাকটিভ দেখা যায়। ট্রান্সপোর্টগুলো ডিস্ট্রিবিউশন করছে। যদি সরকার মনে করে রাতের বেলায় একটা শিফট কাজ করবে, তাদের যদি পেমেন্ট এবং আসা-যাওয়ায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়, তাহলে এই ধারণাটা একেবারেই মন্দ না। আমার ধারণা, এমন একটা বিষয় হতে পারে।’
ডিএসসিসি’র সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, তারা পরীক্ষামূলকভাবে নাইট শিফট চালু করতে চায়। এ জন্য বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) রাত ১০টা থেকে শুক্রবার (৫ অক্টোবর) ভোর চারটা পর্যন্ত নগর ভবনে উপস্থিত থেকে মেয়র সাঈদ খোকন নিজেই ফেসবুকের মাধ্যমে সংস্থার কর্মকাণ্ড মনিটরিং করবেন। এ কারণে ডিএসসিসির মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম স্থলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদেরকে উপস্থিত থাকার জন্য এক অফিস আদেশ জারি করা হয়েছে। ওই আদেশে সংস্থার বিভিন্ন বিভাগের কর্মকর্তাসহ মাঠ পর্যায়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নির্দেশ দেওয়া হয়।