শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বহালে আন্দোলনকারীদের একাংশ

কোটা বহালের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের একাংশসরকারি চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা ৩০ শতাংশ বহালের দাবিতে শাহবাগে অবস্থান নিয়েছে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের একাংশ। বিলুপ্ত 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চে'র ব্যানারে মঙ্গলবার (৯ অক্টোবর) বিকাল চারটা থেকে শাহবাগে অবস্থান নেয় তারা। এখনও তাদের আন্দোলন চলছে৷
এর আগে গতকাল (সোমবার)সন্ধ্যায় নৌপরিবহণমন্ত্রী শাজাহান খান শাহবাগে আসলে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের নেতৃত্ব মন্ত্রীর হাতে তুলে দেওয়া হয় ৷ এরপর  মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চকে বিলুপ্তি করে 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মঞ্চ' নামে নতুন মঞ্চের ঘোষণা করেন শাজাহান খান ৷ এসময় তিনি আগামী ১৪ অক্টোবর পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেন ৷ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের একাংশ আন্দোলন স্থগিতের সিদ্ধান্ত না মেনে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন ৷ সে ঘোষণা অনুযায়ী তাদের আন্দোলন চলছে ৷

মেহেদী হাসান নামে এক আন্দোলনকারী দাবি করেন সোমবার সন্ধ্যায়  মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের সবার কণ্ঠভোটে তাকে মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের আহ্বায়ক নির্বাচিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টায় তিনি  সাংবাদিকদের বলেন, ‘কালকে যারা অবরোধ কর্মসূচি স্থগিত ঘোষণা করেছে তারা 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মঞ্চ'। এই মঞ্চটি অনেক আগে থেকেই নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান চালিয়ে আসছিলেন। আমরা 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ' নামে কর্মসূচি পালন করে আসছি।দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমাদের অবরোধ চলবে’।  তিনি জানান, এতোদিন মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন জামাল উদ্দিন স্যার। তিনি অসুস্থ থাকায় আসতে পারেননি দাবি করে মেহেদী বলেন, আহ্বায়ক হিসেবে আমি আন্দোলন চালিয়ে নিচ্ছি।

তবে ছয়দিন যাবত  শাহবাগে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ'র সংগঠক মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কমান্ড ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সাংবাদিকদের বলেন, "আমরা তো 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ' থেকে আমাদের আন্দোলনের দায়িত্ব 'মুক্তিযুদ্ধের চেতনা মঞ্চ'র হাতে তুলে দিয়েছি। তারা ১৪ তারিখ পর্যন্ত কর্মসূচি স্থগিত করেছে। আমরা তাদের সাথেই আন্দোলন করবো। এখন কেউ যদি 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ' নাম ব্যবহার করে আন্দোলন চালিয়ে গেলে দায় দায়িত্ব তাদেরই নিতে হবে।"

এ বিষয়ে জানতে 'মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ'র মুখপাত্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আ ক ম জামাল উদ্দীনের মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।