ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান যাত্রীকল্যাণ সমিতির

যাত্রী কল্যাণ সমিতি

দেশবাসীকে চরম দুর্ভোগ থেকে মুক্তি দিতে পরিবহন ধর্মঘট প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি। সোমবার (২৯ অক্টোবর) সকালে সংগঠনটির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়- দেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা চলছে। নিয়োগ পরীক্ষাও রয়েছে। এছাড়াও রোগীসহ অ্যাম্বুল্যান্স আটকে দেওয়া, অতি জরুরি প্রয়োজনে রাস্তায় বের হলে ব্যক্তিগত গাড়ির যাত্রী ও চালকের মুখে কালি লেপন, গ্রামে-গঞ্জে গণপরিবহনের পাশাপাশি মোটরসাইকেল, রিকশা চলাচলে বাধাদানের কারণে সমগ্র দেশবাসী কথিত পরিবহন শ্রমিক নামধারী দুবৃর্ত্তদের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে। ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ রোগীকেও রিকশা থেকে নামিয়ে নাজেহাল করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নীরব দর্শকের ভূমিকায় দেশবাসী হতাশ হয়েছে। রাস্তায় যাত্রী, পথচারী, ছাত্র-ছাত্রী, অসুস্থ রোগীর দুর্ভোগের পাশপাশি পরিবহন শ্রমিকদের হাতে লাঞ্চিত হওয়ার ঘটনায় সরকারের ভাবমূর্তি প্রশ্নের সম্মুখীন।

নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগের সময়টিকে দেশবাসীকে জিম্মি করে সরকারকে বেকায়দায় ফেলে দাবি আদায়ের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের আহ্বান জানানো হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ধর্মঘট আহ্বানকারী সংগঠনের প্রতিনিধিও বাংলাদেশ সড়ক ফেডারেশন ‘সড়ক পরিবহন আইন -২০১৮’ প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন। এছাড়াও বাস মালিক সমিতি, শ্রমিক ফেডারেশনের প্রতিনিধি সরকারে রয়েছে। সরকারের কাছাকাছি অবস্থান করে জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা ও শক্তি প্রয়োগ না করে সরকারের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের দাবি জানানো হচ্ছে।