ঢাকা কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার অথেলো চৌধুরী বলেন, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে কাস্টম হাউসের একটি দল বিমানবন্দরের বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করছিল। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুবাই থেকে এমিরেটসের একটি
ফ্লাইটে ঢাকা আসেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দিন। তাকে বোর্ডিং ব্রিজ এলাকা থেকে অনুসরণ করা হয়। গ্রিন চ্যানেল অতিক্রমের পর তার কাছে শুল্ক কর আরোপযোগ্য পণ্য থাকার বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তিনি অস্বীকার করেন। পরে তার লাগেজে থাকা আইস কিউব মেকারের কম্প্রেসারের মধ্যে লুকানো অবস্থায় তিনটি পাত উদ্ধার করা হয়। পাত তিনটি সিলভার কালারে প্রলেপ দেওয়া, যা ঘষার পরে সোনার অস্তিত্ব পাওয়া যায়। উদ্ধার করা সোনার ওজন তিন কেজি দুইশ গ্রাম যার আনুমানিক দাম এক কোটি ৬০ লাখ টাকা।