এক রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে রবিবার (১১ নভেম্বর) বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ ও বিচারপতি মো. ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই রুল জারি করেন। আদালতে ব্যারিস্টার মইনুলের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন ও অ্যাডভোকেট আব্দুর রহিম। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী জিনাত হক।
এর আগে গত ৮ নভেম্বর সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে আজ রবিবারের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। পরে রংপুর কারা কর্তৃপক্ষ ও রংপুর মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।
এছাড়া আদালতের নির্দেশ অনুসারে প্রতিবেদন আজ দাখিল করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনের ওপর শুনানির জন্য আগামী রবিবার (১৮ নভেম্বর) দিন ধার্য করেন আদালত।
এর আগে রংপুরের বাসিন্দা মিলি মায়া বেগম গত ২২ অক্টোবর আদালতে মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা করেন। ওই দিনই তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।
গত ২ নভেম্বর বিশেষায়িত হাসপাতালে ব্যারিস্টার মইনুলের চিকিৎসার জন্য হাইকোর্টে রিট করা হয়। মইনুলের স্ত্রী সাজু হোসেন এ রিট দায়ের করেন। গত ৩ নভেম্বর ব্যারিস্টার মইনুল রংপুর কারাগারে পাঠানো হয়।
প্রসঙ্গত, গত ১৬ অক্টোবর একাত্তর টেলিভিশন চ্যানেলের একটি টক শোতে আলোচনার একপর্যায়ে সাংবাদিক মাসুদা ভাট্টিকে ‘চরিত্রহীন’ বলে মন্তব্য করেন মইনুল হোসেন। তার এই মন্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। এ ঘটনায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এখন পর্যন্ত ২২টি মামলা হয়েছে। এর মধ্যে ২০টি মানহানির মামলা এবং অপর ২টি ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে করা মামলা