রাজধানীর ডেমরায় এ ইউনিটের ২০ তলা ভবন ও দুটি ব্যারাক (নারী ও পুরুষ সদস্যদের জন্য) নির্মাণ করা হবে। কর্মকর্তাদের জন্য নির্মাণ করা হবে কোয়ার্টার। এ জন্য ওই এলাকায় তিন একর জমি নির্বাচন করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৬ সালের ১১ অক্টোবর ‘ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস- ৯৯৯’ পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছিল তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। প্রায় এক বছর পর ২০১৭ সালের ৮ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বৈঠকে এ সার্ভিসের সার্বিক কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় পুলিশ সদর দফতরকে। পরে পুলিশের একজন অতিরিক্ত ডিআইজির নেতৃত্বে একটি দল এই সেবা কার্যক্রম চালুর প্রক্রিয়া শুরু করেন। একই বছরের ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর আবদুল গণি রোডের সেন্ট্রাল পুলিশ কন্ট্রোল রুম ভবনে এ সেবা সার্ভিসের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। এরপর থেকে সুনামের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে তারা। ভবিষ্যৎ রেফারেন্স ও মামলার এভিডেন্সসহ বিভিন্ন প্রয়োজনে ‘৯৯৯’ নম্বরে আসা প্রত্যেকটি কল একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ধারণ করা (রেকর্ডেড) হচ্ছে।
জরুরি সেবা সার্ভিসের কর্মকর্তা সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মিরাজুর পাটোয়ারী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জনগণকে দ্রুত পুলিশি সেবা দেওয়ার লক্ষ্যে জরুরি সেবা সার্ভিস ৯৯৯ চালু করা হয়। এই সেবা সার্ভিসে আরও জনবল নিয়োগের মাধ্যমে পুলিশের বিভিন্ন ইউনিটের সঙ্গে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ বাড়ানো ছাড়াও জনগণকে আরও বেশি দ্রুত সেবা দেওয়া সম্ভব হবে। এ কারণেই এ জনবল কাঠামোর প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে।’