প্রিন্স মহিদল পুরস্কার পাচ্ছেন আইসিডিডিআর’বির নির্বাহী পরিচালক





33904740200_6a76e37793_oকলেরার টিকা মুখে খাওয়ানো এবং এর ব্যবহারের জন্য থাইল্যান্ডের সম্মানজনক প্রিন্স মহিদল পুরস্কার পাচ্ছেন আইসিডিডিআর’বির নির্বাহী পরিচালক জন ডি ক্লেমেন্স। এছাড়াও এ পুরস্কার পাচ্ছেন সুইডিস প্রফেসর ইয়ান হোমগ্রেন। ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে তাদের হাতে এ পুরস্কার হস্তান্তর করা হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) আইসিডিডিআর’বি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আইসিডিডিআর’বির নির্বাহী পরিচালক প্রফেসর জন ডি ক্লেমেন্স বলেন, ‘আমার দীর্ঘদিনের বন্ধু ও সহকর্মীর সঙ্গে একই বিষয়ে কাজের কারণে এই পুরস্কার প্রাপ্তি বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।’
প্রফেসর ইয়ান হোমগ্রেন বলেন, ‘জনস্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অবদান রাখায় যারা এর আগে এই পুরস্কার পেয়েছেন তাদের কাতারে দাঁড়ানো সত্যিই বড় সম্মান।’
এই অসামান্য অর্জনের জন্য আইসিডিডিআর’বির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ম্যাক্সিন হোয়াইটেকার অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‘এটি শুধু আইসিডিডিআর’বি-র সম্মান নয়, বাংলাদেশের মানুষের সম্মান, মুখে খাওয়ার কলেরা টিকা উন্নয়নে তাদের বিশেষ অবদানের জন্য। যে টিকা সম্প্রতি বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীসহ বিশ্বব্যাপী অসংখ্য মানুষের জীবন রক্ষা করেছে।’
প্রিন্স মহিদল ফাউন্ডেশনের সভাপতি থাই রাজকুমারী মাহা চক্রী সিরিন্ধর্ন আমেরিকান এপিডেমিওলজিস্ট প্রফেসর জন ডি ক্লেমেন্স এবং সুইডিশ ইমিউনোলজিস্ট প্রফেসর ইয়ান হোমগ্রেনকে জনস্বাস্থ্য বিভাগে প্রিন্স মহিদল পুরস্কার ২০১৮-এর জন্য মনোনীত করেন।
১৯৯২ সাল থেকে থাইল্যান্ডের আধুনিক মেডিসিনের জনক এবং মহামান্য দশম রাজা রামার পিতামহ প্রিন্স মহিদলেরর সম্মানে এই পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। ফাউন্ডেশনটি প্রতিবছর জনস্বাস্থ্য এবং মেডিসিন— এ দুটি বিভাগে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রিন্স মহিদল পুরস্কার প্রদান করে। পুরস্কার হিসেবে মেডেল, সনদপত্র এবং এক লাখ মার্কিন ডলার দেওয়া হয়।