আদালতে রফিকুল আলম মজনুর জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন অ্যাডভোকেট এম. মাসুদ রানা। সঙ্গে ছিলেন অ্যাডভোকেট রমজান আলী।
পরে আইনজীবী মাসুদ রানা বলেন, ‘রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় ২২টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এসব মামলায় তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন জানান। তিনি ফেনী-১ আসন থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। এ অবস্থায় তার জামিন চেয়ে করা ২২টি আবেদন আজ হাইকোর্টের কার্য তালিকায় এলেও শুনানি হয়নি। পরে আমাদের এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই ২২ মামলায় জামিন শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাকে কোর্ট প্রাঙ্গণ থেকে গ্রেফতার না করার বিষয়ে মৌখিক আদেশ দিয়েছেন। এছাড়া আগামীকাল তার জামিন আবেদনের ওপর শুনানি হবে বলেও আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।’
এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় মিছিল, মিটিং, গোপন বৈঠক, পুলিশের দায়িত্ব পালনে বাধা, ককটেল বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন অভিযোগে তার বিরুদ্ধে ২২টি মামলা দায়ের করা হয়। এরপর তিনি জাতীয় নির্বাচনে এলাকায় প্রচার প্রচারণা চালাতে ওইসব মামলায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন জানান।
এদিকে, রবিবার (২ ডিসেম্বর) ফেনী-১ এবং বগুড়া ৬ ও ৭ আসনে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন স্থানীয় রিটার্নিং অফিসার। দণ্ডিত হওয়ায় আদালতের আদেশ অনুযায়ী সব আসনেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাইয়ের সময় খালেদা জিয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। এর ফলে তিনটি আসনেই মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ায় একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আর প্রার্থিতা রইলো না খালেদা জিয়ার।