রবিবার (২ ডিসেম্বর) এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এই উদ্বেগ জানায়। বিবৃতিতে বলা হয়, জামিনের আগেই সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের বদলির সংবাদে জনমনে গভীর উদ্বেগ ও প্রশ্ন উত্থাপিত হয়েছে বলে মনে করে টিআইবি। একইসঙ্গে এ মামলার ন্যায়বিচার প্রাপ্তির পথে এ ধরনের কোনও অন্তরায় প্রতিহত করার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘আদালতে চার্জ গঠনের পর প্রায় দেড়বছর অতিবাহিত হলেও এ মামলার বিচার নিষ্পত্তি না হওয়া উদ্বেগজনক। মামলার বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রতার সুযোগে সম্প্রতি এ মামলার প্রধান আসামিকে বিশেষ বিবেচনায় জামিন দেওয়া হয়েছে। অথচ মামলার ধরন অনুযায়ী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচারকাজ শেষ করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তাই বিচার নিষ্পত্তিতে এই দীর্ঘসূত্রতা ও প্রধান আসামির জামিন প্রদান ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য কতটা সহায়ক সে প্রশ্ন থেকেই যায়।’
ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘বিশেষ করে আমরা উদ্বিগ্ন এ কারণে যে, গণমাধ্যম সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, এ বছরের মাঝামাঝি এ মামলার বিচারিক আদালত পরিবর্তন হয়েছে এবং অতি সম্প্রতি মামলার প্রধান আসামির জামিনের অব্যবহিত পূর্বে সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারককে বদলি করা হয়েছে। এরকম বাস্তবতায় ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। বিচারকের বদলি ও তার পরপরই জামিনের ঘটনা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছার ঘাটতির পরিচায়ক বলেও মনে করছে টিআইবি।’