তিনি বলেন, ‘২০১২ সালে চৈতি নামের একটি মেয়ে সায়েন্স পড়তে চেয়েও পারেনি। মেয়েটি এক বছর নষ্ট করে পুনরায় পরীক্ষা দিলেও তাকে সায়েন্স নিতে দেওয়া হয়নি। পরে মেয়েটি আত্মহত্যা করে। যদি চৈতির আত্মহত্যার বিচার হতো, তাহলে অরিত্রী অধিকারীকে মরতে হতো না।’
ইউনুছ আলী আরও বলেন, ‘আমি মঙ্গলবার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তদের বরখাস্ত করতে গভর্নিংবডিকে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছিলাম, তবে তারা তা করেনি। অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তার এখন পুলিশ কাস্টডিতে অথবা সাসপেন্ডেড অথবা জামিনে থাকা উচিৎ ছিল। কিন্তু কিছুই হয়নি।’
এই আইনজীবী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বেচ্ছাচারী আচরণের বিরুদ্ধে দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।