মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উচ্চ আদালত ২০১১ সালে এক নির্দেশনায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সব ধরনের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি নিষিদ্ধ করে। পরবর্তী সময়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি পরিপত্র জারি করা হয়। সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এ নির্দেশনা মেনে চলার জন্য বলা হয়। তা সত্ত্বেও আমরা অনেকটা নিয়মিতভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শাস্তি প্রদানের সংবাদ গণমাধ্যম সূত্রে জানতে পারছি।
বক্তারা আরও বলেন, আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) থেকে সংগ্রহীত তথ্য অনুযায়ী এ বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ১৭১ জন শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে শিক্ষকের কাছে। যার মধ্যে দুজন শিক্ষার্থী নির্যাতনের পর আত্মহত্যা করেছে।
এ সময় তারা সরকারকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শাস্তি বন্ধের জন্য কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে তারা কিছু সুপারিশমালা পেশ করেন। তা হলো অরিত্রীর ঘটনাসহ অন্যান্য সব ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে দ্রুত বিচার সম্পন্ন করে দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে, সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিশুর শারীরিক ও মানসিক শাস্তি বন্ধ বিষয়ক প্রজ্ঞাপনটি দৃশ্যমান স্থানে প্রদর্শন করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করতে হবে, শিক্ষকদের নিয়োগপত্রে এ শিশুদের শারীরিক ও মানসিক শাস্তি দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে উল্লেখ করতে হবে, বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের এ বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিতে হবেসহ আরও অনেক সুপারিশ করা হয়।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কামরুন্নাহার ডানার সভাপতিত্বে মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আইন ও সালিশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজ ও সংগঠনের নেতারা।