ভিকারুননিসা স্কুলছাত্রীর আত্মহত্যার ঘটনায় ৯ জানুয়ারি তদন্ত প্রতিবেদনের নির্দেশ

অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ (ছবি-সাজ্জাদ হোসেন)

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী অরিত্রী অধিকারীর আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য ৯ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

বুধবার (৫ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতের বিচারক সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী এই আদেশ দেন।

মামলার অভিযুক্তরা হলেন- ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ নাজনীন ফেরদৌস, শাখা প্রধান জিন্নাত আরা ও শ্রেণি শিক্ষক হাসনা হেনা।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, গত রবিবার (২ ডিসেম্বর) স্কুলে পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষকরা অরিত্রীর কাছে মোবাইল ফোন পান। মোবাইলে নকল করার অভিযোগে অরিত্রীকে সোমবার (৩ ডিসেম্বর) তার মা-বাবাকে নিয়ে স্কুলে যেতে বলা হয়।

এরপর অরিত্রীর বাবা স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে স্কুলে গেলে ভাইস প্রিন্সিপাল তাদের অপমান করে কক্ষ থেকে বের করে দিয়ে মেয়ের টিসি (স্কুল থেকে দেওয়া ছাড়পত্র) নিয়ে যেতে বলেন। পরে প্রিন্সিপালের কক্ষে গেলে তিনিও একই রকম আচরণ করেন। এসময় অরিত্রী দ্রুত প্রিন্সিপালের কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। এরপর অরিত্রির অভিভাবক শান্তিনগরের বাসায় গিয়ে দেখতে পান- অরিত্রী তার কক্ষে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়নায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ঝুলছে। বাসা থেকে অরিত্রীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা অরিত্রীকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই ঘটনায় গতকাল (৪ ডিসেম্বর) রাজধানীর পল্টন থানায় অরিত্রীর বাবা দিলীপ অধিকারী বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারায় কথা উল্লেখ করা হয়েছে।