হলি আর্টিজান হামলা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি



হলি আর্টিজানরাজধানীর গুলশানে হলি আর্টিজান হামলা মামলায় রবিবার (২৩ ডিসেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি। এ জন্য আগামী ৬ জানুয়ারি পরবর্তী দিন ধার্য করেছেন ট্রাইব্যুনাল। কোনও সাক্ষী ট্রাইব্যুনালে হাজির না হওয়ায় ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এ দিন ধার্য করেন।

এর আগে এ মামলায় ছয়জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন ট্রাইব্যুনাল।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে রাজধানীর গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা।
গত ২৬ নভেম্বর এ মামলার আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয় এবং পলাতক দুই আসামি শহীদুল ইসলাম খালেদ ও মামুনুর রশিদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে গত ৮ আগস্ট আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র গ্রহণ করা হয়।
এ অভিযোগপত্রে আসামি ২১ জনের মধ্যে ১৩ জন মারা যাওয়ায় তাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। নিহত ১৩ জনের মধ্যে আটজন বিভিন্ন অভিযানের সময় এবং পাঁচজন ঘটনাস্থলে নিহত হয়।
অভিযোগপত্রের আট আসামি হলো হামলার মূল সমন্বয়ক বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডার নাগরিক তামিম চৌধুরীর সহযোগী আসলাম হোসেন ওরফে রাশেদ ওরফে আবু জাররা ওরফে র্যা শ, হামলায় অস্ত্র ও বিস্ফোরক সরবরাহকারী নব্য জেএমবি নেতা হাদিসুর রহমান সাগর, নব্য জেএমবির অস্ত্র ও বিস্ফোরক শাখার প্রধান মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, জঙ্গি রাকিবুল হাসান রিগ্যান, জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজীব ওরফে রাজীব গান্ধী, হামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী আব্দুস সবুর খান (হাসান) ওরফে সোহেল মাহফুজ, শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ।
পলাতক আসামিরা হলো শরিফুল ইসলাম ও মামুনুর রশিদ। বাকি ছয়জন কারাগারে আছে।
ঘটনাস্থলে মামলার নিহত পাঁচ আসামি হলো রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, মীর সামেহ মোবাশ্বের, নিবরাস ইসলাম, শফিকুল ইসলাম ওরফে উজ্জ্বল ও খায়রুল ইসলাম ওরফে পায়েল। এছাড়া বিভিন্ন ‘জঙ্গি আস্তানায়’ অভিযানের সময় নিহত আট আসামি হলো তামিম চৌধুরী, নুরুল ইসলাম মারজান, তানভীর কাদেরী, মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলাম ওরফে মুরাদ, রায়হান কবির তারেক, সারোয়ান জাহান মানিক, বাশারুজ্জামান ওরফে চকলেট ও মিজানুর রহমান ওরফে ছোট মিজান।
২০১৬ সালের ১ জুলাই রাতে গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে বিদেশি নাগরিকসহ ২০ জনকে হত্যা করে জঙ্গিরা। এ সময় তাদের গুলিতে দুই পুলিশ সদস্য নিহত হন। পরে অভিযানে পাঁচ জঙ্গি নিহত হয়। ওই ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গুলশান থানায় একটি মামলা দায়ের করে পুলিশ।