রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাব, শাহবাগ মোড়, সংসদভবন এলাকা, এলিফ্যান্ট রোড, বিমানবন্দর, উত্তরা, আব্দুল্লাহপুরসহ ৭৭টি স্থানে আয়োজিত মানববন্ধনের মাধ্যমে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ভোটার ও নতুন ভোটারদের কাছে যুদ্ধাপরাধী ও তাদের দোসরদের ভোট না দেওয়ার আবেদন জানানো হয়।
মানববন্ধনের সময় বিলি করা তরুণ প্রজন্মের দেওয়া লিফলেটে বলা হয়েছে, মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী থেকে ২২ জনকে মনোনয়ন দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্ট থেকে মনোনয়নপ্রাপ্তদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও অভিযুক্ত পরিবারের ১০ জন প্রার্থী রয়েছে, যা আমাদের ব্যথিত করে।’
এতে বলা হয়, ‘আমরা ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেন এবং আ স ম আবদুর রব— দুজনকেই মুক্তিযুদ্ধের চেতানায় বিশ্বাসী মানুষ বলে জানতাম। সেই জায়গা থেকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত তরুণ প্রজন্মের একটি প্রতিনিধি দল ড. কামাল হোসেনের সঙ্গে দেখা করতে যায়। জামায়াতের পৃষ্ঠপোষকতাকারী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতকারীদের সঙ্গ ত্যাগ করার বিষয়ে আমরা আবেদন নিয়ে গিয়েছিলাম। বিষয়টি জানার পরও ড. কামাল ব্যস্ততার অজুহাতে আমাদের সঙ্গে কথা বলেননি। পরে তার পক্ষ থেকে কেউ আর যোগাযোগও করেনি।’
এক ঘণ্টার বেশি সময় স্থায়ী মানববন্ধনে যোগ দেওয়া তরুণরা বলেন, তাদের উত্থাপিত আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তারা নতুনভাবে বলতে চান, আগামী সরকারের মেয়াদেই হবে আমাদের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উৎসব। এই সুবর্ণজয়ন্তী উৎসবে পালনের সময় স্বাধীনতাবিরোধী ও তাদের দোসরদের কেউ জাতীয় সংসদে থাকুক, সেটা তারা চান না।