এদিকে চালকদের কর্মবিরতির কারণে আজও ডিপোর শতাধিক বাস সড়কে নামেনি। ডিপো থেকে বিআরটিসির প্রায় ১১০টি বাস রাজধানীর বিভিন্ন রুটে চলাচল করে।
চালকরা জানান, ২০১৮ সালের মার্চ মাস থেকে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। এ নিয়ে বেশ কয়েক দফা আন্দোলন করেন চালক ও অন্যান্য কর্মচারীরা। আন্দোলনের পর প্রতিষ্ঠানটির কর্তা ব্যক্তিরা বকেয়া পরিশোধে সময় চাওয়া হয়। তবে পরে কর্তৃপক্ষ আর তাদের কথা রাখেনি। দীর্ঘ ৯ মাস বেতন বকেয়া থাকায় বর্তমানে চালকরা পরিবার নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন।
আন্দোলনরত চালক শামীম হাওলাদার বলেন, ‘একই প্রতিষ্ঠানে চাকরি করলেও ডিপোর ম্যানেজারসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বেতন বকেয়া নেই। শুধু চালকদের বেতন বকেয়া রয়েছে। আমাদের যে আয় হয় সেই টাকাতে শীর্ষ কর্মকর্তাদের বেতন হয়, আমাদের জন্য কিছুই থাকে না। বেতনের বিষয়ে অভিযোগ দিলে চাকরি নাই বা অন্য জায়গায় বদলি করে দেওয়া হয়।’ তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের জন্য যে ভর্তুকি দেওয়া হয় তা অন্যরা খেয়ে ফেলছে।
এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আন্দোলনরত চালকদের সঙ্গে কথা বলার জন্য বিআরটিসির শীর্ষ কর্মকর্তারা ডিপোতে গেছেন। তারা চালকদের সঙ্গে কথা বলছেন বলে জানা গেছে।
বিআরটিসির কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার (অপারেশন) আলমাস, গাজীপুর বাস ডিপোর ম্যানেজার (অপারেশন) শাহরিয়ার বুলবুল ও জোয়া সাহারার ম্যানেজার নূর-ই আলম।
এদিকে বিশৃঙ্খল পরিবেশ নিয়ন্ত্রণে ডিপোর সামনে পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।