আপিল বিভাগের আদেশের বিরুদ্ধে করা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বুয়েট কর্তৃপক্ষের রিভিউ আবেদন খারিজ করে এ আদেশ দেওয়া হয়। আদালতে শিক্ষকদের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ফিদা এম কামাল ও তবারক হোসাইন। সঙ্গে ছিলেন ব্যারিস্টার উর্মি রহমান। আর বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইজীবী এ এফ হাসান আরিফ।
পরে ব্যারিস্টার উর্মি রহমান বলেন, আদালতের আজকের আদেশের ফলে রিট আবেদনকারীদের মধ্যে সাবেক দুই উপাচার্য ড. মো. মনোয়ারুল ইসলাম ও প্রফেসর সাহেদা রহমান এবং অপর পাঁচ শিক্ষক ড. মো. মোহর আলী, ড. মোস্তফা কামাল চৌধুরী, ড. মো. কামরুল ইসলাম, ড. এম এম শাহিদুল হাসান ও ড. মো. কামরুল আহসান কেবল পেনশন সুবিধা পাবেন। এছাড়া সাবেক উপাচার্য ড. মো. মাজহারুল হক এবং ১১ শিক্ষক ড. মো. মীরজাহান মিয়া, ড. আমিনুল হক, ড. মো. ইমতিয়াজ হোসেন, ড. সারওয়ার জাহান, ড. শহিদুল ইসলাম খান, ড. মো. ওবায়েদ উল্লাহ, ড. মো. জয়নুল আবেদিন, ড. মো. আব্দুর রউফ, ড. মো. রিফায়েত উল্লাহ, ড. নিলুফার ফরহাত হোসাইন ও ড. নজরুল ইসলাম পিআরএল ও পেনশন সুবিধা পাবেন।
এর আগে বিভিন্ন সময় অবসরে যাওয়া বুয়েটের ১৯ শিক্ষক পিআরএল ও পেনশন সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ায় হাইকোর্টে পৃথক তিনটি রিট আবেদন করেন। ওসব রিট আবেদনের ওপর চূড়ান্ত শুনানি শেষে ২০১৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্ট রায় দেন। রায় অনুসারে বুয়েটের সাবেক সাত শিক্ষককে শুধু পেনশন সুবিধা এবং ১২ জন শিক্ষককে পিআরএল ও পেনশন সুবিধা দিতে বলা হয়।
একই সঙ্গে রায়ের কপি পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের প্রাপ্য পিআরএল ও পেনশন সুবিধা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর ২০১৮ সালের ৮ আগস্ট হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন ও বুয়েট কর্তৃপক্ষের লিভ টু আপিল খারিজ করে পেনশন সুবিধা দিতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। পরে আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ আবেদন করলে তাও খারিজ করে দেন আপিল বিভাগ।
আরও পড়ুন: বুয়েটের ১৯ শিক্ষককে নতুন স্কেলে পেনশন দিতে হাইকোর্টের রায় বহাল