সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘বাঙালি সংস্কৃতির আবেগময় ঐতিহ্যের হারানো গৌরব ফিরিয়ে আনতে এবং বিশ্বের আধুনিক বর্ণিল আবেদন আমাদের দেশে ছড়িয়ে দিতে বাংলাদেশ ঘুড়ি ফেডারেশন বেশ কয়েক বছর ধরে কাজ করছে। ঘুড়ি আমাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। প্রাচীনকাল থেকে উৎসব, মেলা, পূজা-পার্বণসহ বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানকে আনন্দময় করতে ঘুড়ি ওড়ানোর প্রচলন ছিল। কিন্তু বর্তমানে আমাদের সংস্কৃতির অনেক কিছুর মতোই ঘুড়ি ওঠানোও আমরা ভুলতে বসেছি।’
তিনি বলেন, ‘সারা দেশে ঘুড়ি বিষয়ক সাংগঠনিক কার্যক্রমে উৎসাহীদের সংগঠিত করার চেষ্টার পাশাপাশি জাতীয়ভাবে ঘুড়ি ঐতিহ্যের প্রসার এবং আধুনিক ধারায় বিকশিত করে বিশ্বের দরবারে আমাদের ঘুড়ি সংস্কৃতিকে তুলে ধরাই বাংলাদেশ ঘুড়ি ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য। কক্সবাজারে পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য ঘুড়ি ফেডারেশন, বাপা ও গ্রিন ভয়েজের যৌথ উদ্যোগে 'চাই নির্মল সৈকত ও সমুদ্রের কক্সবাজার' শিরোনামে একটি গোলটেবিল বৈঠক আয়োজন করা হবে।’
ঘুড়ি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘ঘুড়ি উৎসবে আমাদের দেশের প্রচলিত জনপ্রিয় বাংলা ঘুড়ির পাশাপাশি আধুনিক ঘুড়ি, বেসাতি, ড্রাগন, ডেল্টা, মাছরাঙ্গা, ঈগল, ডলফিন, অক্টোপাস, সাপ, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, জাতীয় পতাকা ইত্যাদি ঘুড়ি উড়ানো হবে। এছাড়া আমাদের ঐতিহ্যের আদি উপাদান ২৫ ফুট দীর্ঘ টেরাকোটা টেপা পুতুল, নৃত্যরত বিশাল হাওয়াই মানুষ, ভয়ংকর ড্রাগন ওড়ানো হবে, সঙ্গে থাকবে আতশবাজি।