বাংলা ট্রিবিউনের আয়োজনে ‘ডাকসু নির্বাচন: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক বৈঠকিতে তিনি এসব কথা বলেন। মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) বাংলা ট্রিবিউন কার্যালয়ে এ বৈঠকির সঞ্চলনা করেন সাংবাদিক মুন্নী সাহা। অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রচার করে এটিএন নিউজ।
লিটন নন্দী বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে ক্ষমা চাওয়া উচিত, ২৯ বছর ধরে এ নির্বাচন না হওয়ার জন্য। ডাকসু নির্বাচন সুবিধা নয়, অধিকার। এটা দয়ার বিষয় নয়।’
সহাবস্থান প্রসঙ্গে লিটন নন্দী বলেন, ‘বিশেষ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। কার্যকর সহাবস্থান হলগুলোতে নেই। গণরুমগুলো নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে। সেখানে ক্ষমতাসীন দলের বাইরে রাজনীতির চর্চা করার সুযোগ নেই। বিশ্ববিদ্যালয় প্রচলিত সমাজের বাইরে নয়। অনেক সময় জাতীয় নেতারা দ্বিধাবিভক্ত থাকেন, তবে ছাত্ররা কিন্তু এক হন। একাডেমিক ভবনগুলোতে ভোট গ্রহণের কথা বলেছি, এতে ভয়মুক্ত পরিবেশে নির্বাচন হবে।’
অনুষ্ঠানে আলোচনায় অংশ নিয়েছেন– আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য তোফায়েল আহমেদ, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি আল মেহেদী তালুকদার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. কাবেরী গায়েন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও বাংলা ট্রিবিউনের বিশেষ প্রতিনিধি শফিকুল ইসলাম।