ডাকসুর আড্ডায় জমে উঠেছে নির্বাচনি আলাপ

ভীড় বেড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) এর ক্যান্টিনে। দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ডাকসু নির্বাচনকে সামনে রেখে চলছে নির্বাচনি আলাপ। স্বল্পমূল্যে খাবার গ্রহণের পাশাপাশি শিক্ষাজীবনে প্রথমবার ডাকসু নির্বাচনের অভিজ্ঞতা কেমন হবে তা নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। আদৌ নির্বাচন হবে কিনা বা হলে কেমন হবে তা নিয়ে চলছে চুলচেরা নানা বিশ্লেষণ।noname
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে,  ডাকসু ভবনের সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে কয়েকদিন আগে। ক্লাসের ফাঁকে ফাঁকে দলবেঁধে আড্ডা দিচ্ছেন  থেকে শিক্ষার্থীরা। কেউ ১ টাকার চা খাচ্ছেন। কেউ ২০ টাকা খিচুড়ী বা ডাল-ভাত খাচ্ছেন। 

এ বিষয়ে কথা হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী গোলাম রব্বানীর সাথে। তিনি বলেন, প্রথম বর্ষে আমরা এখানে (ডাকসুর ক্যান্টিনে) খেতে আসতাম । তখন আমরা ডাকসু যে কি তা বুঝতাম না। কিন্তু এখন বুঝি। সামনে নির্বাচন হবে, খুব ভালো লাগছে। অনেক দিন পরে এ নির্বাচন হবে। আসলে কেমন নির্বাচন হয়, তা দেখার সুযোগ হয়তো হবে। যারা নির্বাচিত হবেন তারা কতটুকু আমাদের অধিকার নিয়ে কথা বলবেন, তখন তা বুঝতে পারবো।’ 

ফিন্যান্স বিভাগের শিক্ষার্থী ফাহিমুল ইসলামও বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিচ্ছিলেন। তিনি বলেন, ‘ডাকসুর ক্যান্টিনে আসলে এখন নির্বাচনি পরিবেশ অনুভব হয়। সবাই নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করছে। কারা নির্বাচিত হবে। নির্বাচন কতটুকু সুষ্ঠু হবে। এসব বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। বলা যায় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটা জমজমাট পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।’  

ডাকসুর কর্মচারী আবুল হোসেন ৩৪ বছর ধরে এখানে কাজ করছেন। তিনিও জানান ক্যান্টিনে আগের চেয়ে শিক্ষার্থীদের সংখ্যা এখন বেশি দেখা যাচ্ছে।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে ডাকসু নির্বাচন হয়নি। অবশেষে আগামী ১১ই মার্চ নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। এ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বিভিন্ন ছাত্র সংগঠনের মধ্যে নির্বাচনী আমেজ তৈরী হয়েছে।