বৃহস্পতিবার (৩১ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতরে ‘আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। ডা. মৈত্রী ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘থ্যালাসেমিয়ারোধে আইন করে খুব একটা বেশি কিছু করা যাবে বলে আমার মনে হয় না। প্রথম কাজ হওয়া দরকার লোকজনকে সচেতন করা এবং দ্বিতীয় স্ত্রিনিং করা। পশ্চিমবঙ্গে প্রত্যেক জেলা হাসপাতালে আলাদাভাবে থ্যালাসেমিয়া সেন্টার আছে। সেখান থেকে রোগীদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। যারা থ্যালাসেমিয়া রোগীর ডায়াগনোসিস হচ্ছে তাদের সরকারি চিকিৎসা ফ্রি করা হচ্ছে।’
তিনি বলেন, ‘থ্যালাসেমিয়ার রোগীরা শুধু চিকিৎসাই নিচ্ছেন না তারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ভূমিকা রাখছেন। আমাদের একজন মেডিক্যাল অফিসার থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত, তিনি এমবিবিএস পাস করে এখন চাকরি করছেন।’
ডা. মৈত্রী ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘থ্যালাসেমিয়ার সঙ্গে বিয়ে শব্দটি জড়িত। তাই সমাজের সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিয়েতে প্রথমেই ডাক পড়ে পুরোহিত, মৌলভী— এদের। আমরা পুরোহিত, মৌলভী, রাজনৈতিক নেতা— এদের সঙ্গে আলোচনাসভা করি। ভবিষ্যতে একটি শিশুও থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মাবে না এটাই উদ্দেশ্য।’
উল্লেখ্য, রক্ত পরীক্ষার (হিমোগ্লোবিন-ইলেকট্রোফরেসিস)মাধ্যমে জানা যায়, কেউ থ্যালাসেমিয়ার বাহক কিনা? দুজন বাহকের বিয়ে হলে তাদের সন্তানের থ্যালাসেমিয়া নিয়ে জন্মানোর সম্ভাবনা থাকে।